মঙ্গলের প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন ইলোন মাস্ক!
মঙ্গলের প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন ইলোন মাস্ক!





স্পেসএক্স বলছে, মঙ্গলে কোন আইন নেই, তাই হয়তো ইলোন মাস্কই হবেন সেখানকার প্রেসিডেন্ট। স্পেস এক্স এর নতুন স্টারলিংক অ্যাপের নতুন সেবার শর্তাবলী থেকেই এমন আভাস মিলেছে। শর্তাবলীতে মঙ্গল গ্রহের জীবন সম্পর্কে প্রকাশ পেয়েছে “সার্বভৌম নাগরিক” এর ছায়া।
এমনকি বলা হচ্ছে- “পৃথিবীর কোন আইন” না থাকা সত্ত্বেও, মঙ্গলের জীবন অত্যন্ত কঠোর এবং কাঠামোগত হতে হবে।
চলতি সপ্তাহে সফটওয়্যারের শর্তাবলীতে এমনই আভাস পেয়েছেন। স্পেসএক্স-এর নতুন স্টারলিংক অ্যাপ ডাউনলোড করা ব্যবহারকারীরা। সেখানে বলা হয়েছে, এমন কোন আইন নেই যা মঙ্গলে জীবন পরিচালনা করবে, অথবা পৃথিবীর বাইরে।
সম্প্রতি মাস্ক বলেছিলেন, “অনেক” মানুষ মঙ্গলে মারা যাবে, কিন্তু কেউ কল্পনাও করতে পারেনি এতে আইনের ভিত্তি নেই। এটা আসলে পাবজি ধাঁচের নিম্ন-মাধ্যাকর্ষণের রাজসিক যুদ্ধ। এসময় মঙ্গলকে ‘গড অব ওয়্যার’ নামকরণ করে সংবাদের খোরাক হয়েছিলেন ইলোন মাস্ক।
মাস্কের বিবৃতি অনুযায়ী ‘স্টারশিপ বা অন্যান্য উপনিবেশ মহাকাশযানের মাধ্যমে মঙ্গল গ্রহে যাতায়াতের জন্য সকলেই মঙ্গলগ্রহকে একটি মুক্ত গ্রহ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং কোন পৃথিবী ভিত্তিক সরকারের মঙ্গলের কার্যক্রমের উপর কর্তৃত্ব বা সার্বভৌমত্ব নেই।’
এটা পুরোপুরি কাঙ্ক্ষিত চিন্তা, কারণ বাইরের মহাকাশে কে কি করতে পারে তা নিয়ে আলোচনা গত ছয় দশক ধরে প্রধান চুক্তির বিষয় বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই ধারণা যে আপনি শুধু মহাশূন্যে ভ্রমণ করতে পারেন এবং এটিকে লর্ড অফ দ্য ফ্লাইস-এ পরিণত করতে পারেন, এই ধারণা মহাশূন্যের সাম্রাজ্যবাদী মনোভাব সম্পর্কে “উপনিবেশ” প্রতিষ্ঠার ভয়াবহ ধারণাকে শক্তিশালী করে।
ধারণা করা হচ্ছে, স্পেসএক্স-এর শর্ত অন্তত, প্রায় ৬০ বছর আগে শুরু করা মহাকাশের আন্তর্জাতিক আইন উপেক্ষা করছে। এখন প্রশ্ন উঠেছে, এলোন মাস্ক আর স্পেসএক্স কি এমন কিছু প্রয়োগ করতে পারে?
msM„nxZ : digibangla.tech